গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ আনলেন হিন্দি ধারাবাহিকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অদিতি শর্মা। স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রী। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মুম্বইয়ের গোরেগাঁও থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
‘রব সে হ্যায় দুয়া’, ‘কলীরেঁ’-খ্যাত অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে, গত ৩১ জুলাই তাঁর স্বামী অভিনীত বিদ্যানন্দ কৌশিক, শাশুড়ি উর্মিলা কৌশিক (৬৫) এবং ননদ কীর্তি কৌশিকের (২৯) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে অদিতি দাবি করেছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। পাশাপাশি মারধর, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং বিয়ের গয়না আত্মসাতের অভিযোগও এনেছেন তিনি।
পুলিশকে দেওয়া বয়ানে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ২০২১ সালের জুন মাসে অনলাইনে একটি অভিনয়ের কর্মশালায় অভিনীতের সঙ্গে তাঁর প্রথম আলাপ হয়। সেখান থেকেই তাঁদের বন্ধুত্ব এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাঁরা গোরেগাঁও পশ্চিমের একটি ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়।
অদিতির অভিযোগ, বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই স্বামীর আচরণ বদলে যায়। পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সামান্য বিষয় নিয়েও নিয়মিত অশান্তি শুরু হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, সংসারের খরচে সাহায্য করার বদলে তাঁর স্বামী প্রায়ই তাঁর কাছ থেকে টাকা নিতেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে সামান্য কফি খাওয়া নিয়ে তর্কাতর্কি হয় ও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পর থেকেই নাকি অদিতির চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন তাঁর স্বামী। অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর মোবাইল ফোন নিয়মিত খুঁটিয়ে দেখা হত, তাঁর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলা হত। পরে স্বামী আলাদা ঘরে থাকতে শুরু করেন বলেও জানান তিনি।
এখানেই শেষ নয়। অভিনেত্রীর আরও অভিযোগ, তাঁকে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতেও বাধা দেওয়া হত। অদিতির অভিযোগ, তাঁর বিয়ের গয়না— যার মধ্যে ছিল সোনার চেন, আংটি, হিরের আংটি, মঙ্গলসূত্র ও বালা, সবই নিজের কাছে রেখে দেন শাশুড়ি। একাধিক বার ফেরত চাইলেও সেগুলি আর তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে দাবি অভিনেত্রীর।
অদিতি আরও অভিযোগ করেছেন, পারিবারিক সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হলেও তাঁর শাশুড়ি ও ননদ সবসময় তাঁর স্বামীর পক্ষ নিয়েছেন এবং তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে গিয়েছেন। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
‘রব সে হ্যায় দুয়া’, ‘কলীরেঁ’-খ্যাত অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে, গত ৩১ জুলাই তাঁর স্বামী অভিনীত বিদ্যানন্দ কৌশিক, শাশুড়ি উর্মিলা কৌশিক (৬৫) এবং ননদ কীর্তি কৌশিকের (২৯) বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অভিযোগপত্রে অদিতি দাবি করেছেন, বিয়ের পর থেকেই তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। পাশাপাশি মারধর, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ, তাঁর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং বিয়ের গয়না আত্মসাতের অভিযোগও এনেছেন তিনি।
পুলিশকে দেওয়া বয়ানে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ২০২১ সালের জুন মাসে অনলাইনে একটি অভিনয়ের কর্মশালায় অভিনীতের সঙ্গে তাঁর প্রথম আলাপ হয়। সেখান থেকেই তাঁদের বন্ধুত্ব এবং পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে তাঁরা গোরেগাঁও পশ্চিমের একটি ফ্ল্যাটে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়।
অদিতির অভিযোগ, বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই স্বামীর আচরণ বদলে যায়। পোশাক-আশাক থেকে শুরু করে সামান্য বিষয় নিয়েও নিয়মিত অশান্তি শুরু হয়। তিনি আরও দাবি করেছেন, সংসারের খরচে সাহায্য করার বদলে তাঁর স্বামী প্রায়ই তাঁর কাছ থেকে টাকা নিতেন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে সামান্য কফি খাওয়া নিয়ে তর্কাতর্কি হয় ও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পর থেকেই নাকি অদিতির চরিত্র নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে শুরু করেন তাঁর স্বামী। অভিনেত্রীর দাবি, তাঁর মোবাইল ফোন নিয়মিত খুঁটিয়ে দেখা হত, তাঁর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তোলা হত। পরে স্বামী আলাদা ঘরে থাকতে শুরু করেন বলেও জানান তিনি।
এখানেই শেষ নয়। অভিনেত্রীর আরও অভিযোগ, তাঁকে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলতেও বাধা দেওয়া হত। অদিতির অভিযোগ, তাঁর বিয়ের গয়না— যার মধ্যে ছিল সোনার চেন, আংটি, হিরের আংটি, মঙ্গলসূত্র ও বালা, সবই নিজের কাছে রেখে দেন শাশুড়ি। একাধিক বার ফেরত চাইলেও সেগুলি আর তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে দাবি অভিনেত্রীর।
অদিতি আরও অভিযোগ করেছেন, পারিবারিক সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হলেও তাঁর শাশুড়ি ও ননদ সবসময় তাঁর স্বামীর পক্ষ নিয়েছেন এবং তাঁর উপর মানসিক নির্যাতন চালিয়ে গিয়েছেন। অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
তামান্না হাবিব নিশু